হেপাটাইটিস নির্মূল করতে জনসচেতনতা আরও বাড়াতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদন
আগরতলা, জুলাই ২৯, : রাজ্যের মানুষদের সুস্থ রাখাই রাজ্য সরকারের লক্ষ্য। হেপাটাইটিস রোগ নির্মূল করতে জনসচেতনতা বাড়ানোর উপর আরও জোর দিতে হবে। এছাড়াও প্রতিনিয়ত স্ক্রিনিং বাড়াতে হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে হেপাটাইটিস মুক্ত ত্রিপুরা গড়ে তোলা হবে। ২৮ জুলাই রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে হেপাটাইটিস ফাউন্ডেশন অফ ত্রিপুরা'র উদ্যোগে এবং জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সহযোগিতায় বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হেপাটাইটিস- বি ভাইরাসের আবিষ্কারক এবং হেপাটাইটিস- বি টিকার উদ্ভাবক ডা. বি. লোমবার্গের জন্মদিবস উপলক্ষ্যেই এই দিবসটি উদযাপন করা হয়। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাসে আক্রান্ত। এটি হল এক ধরণের নীরব ঘাতক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশকে সম্পূর্ণরূপে হেপাটাইটিস মুক্ত গড়ে তুলতে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন। রাজ্য সরকারও রাজ্যকে হেপাটাইটিস মুক্ত করতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করছে। বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা ব্যবস্থা ও সচেতনতাই এই রোগের বিস্তার রোধ করতে পারে। এই রোগ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের পাশাপাশি গ্রাম ও শহরে বিভিন্ন স্তরের স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও বেশি করে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে দক্ষ করে তুলতে হবে। ত্রিপুরাকে হেপাটাইটিস মুক্ত করতে সরকারের সব ধরণের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিকাঠামো গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে মহকুমা থেকে জেলায়, জেলা থেকে রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতালগুলিতে অভ্যন্তরীন রেফারেল রোগীর সংখ্যা অনেক কমেছে। চিকিৎসা পরিষেবায় বর্তমানে রাজ্যে ৯টি সুপার স্পেশালিটি ব্লক রয়েছে।
রাজ্যের মানুষদের সুস্থ রাখাই রাজ্য সরকারের লক্ষ্য। হেপাটাইটিস রোগ নির্মূল করতে জনসচেতনতা বাড়ানোর উপর আরও জোর দিতে হবে। এছাড়াও প্রতিনিয়ত স্ক্রিনিং বাড়াতে হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে হেপাটাইটিস মুক্ত ত্রিপুরা গড়ে তোলা হবে। আজ রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে হেপাটাইটিস ফাউন্ডেশন অফ ত্রিপুরা'র উদ্যোগে এবং জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সহযোগিতায় বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হেপাটাইটিস- বি ভাইরাসের আবিষ্কারক এবং হেপাটাইটিস- বি টিকার উদ্ভাবক ডা. বি. লোমবার্গের জন্মদিবস উপলক্ষ্যেই এই দিবসটি উদযাপন করা হয়। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাসে আক্রান্ত। এটি হল এক ধরণের নীরব ঘাতক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশকে সম্পূর্ণরূপে হেপাটাইটিস মুক্ত গড়ে তুলতে নানা উদ্যোগ নিয়েছেন। রাজ্য সরকারও রাজ্যকে হেপাটাইটিস মুক্ত করতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করছে। বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা ব্যবস্থা ও সচেতনতাই এই রোগের বিস্তার রোধ করতে পারে। এই রোগ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের পাশাপাশি গ্রাম ও শহরে বিভিন্ন স্তরের স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও বেশি করে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে দক্ষ করে তুলতে হবে। ত্রিপুরাকে হেপাটাইটিস মুক্ত করতে সরকারের সব ধরণের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিকাঠামো গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে মহকুমা থেকে জেলায়, জেলা থেকে রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতালগুলিতে অভ্যন্তরীন রেফারেল রোগীর সংখ্যা অনেক কমেছে। চিকিৎসা পরিষেবায় বর্তমানে রাজ্যে ৯টি সুপার স্পেশালিটি ব্লক রয়েছে।
আরও পড়ুন...