খাদ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে খাদ্য দপ্তরের পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদন
আগরতলা, এপ্রিল ১৯, : খাদ্য জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর সভাপতিত্বে ১৮ এপ্রিল সচিবালয়ের কনফারেন্স হলে খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ দপ্তরের এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আলোচনা করতে গিয়ে খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, রাজ্য সরকার মানুষের সেবায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি গণবন্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে যাতে সর্বদা বন্টন করা যায় সে বিষয়ে সব সময় সতর্ক রয়েছে। জনগণকে পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রাজ্য সরকার দপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীদের সহযোগিতায় রাজ্যে গণবন্টন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করছে। দপ্তরের কাজকর্মকে সদা স্বচ্ছ রাখতে এবং তাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকার সবসময় সতর্ক রয়েছে। সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা সঠিক তদারকি করায় দেশে ও রাজ্যে এলপিজি, পেট্রোল সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ অক্ষুন্ন রয়েছে। গণবন্টন ব্যবস্থা সঠিক রাখতে এবং বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের কালোবাজারি রুখতে রাজ্য সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে।
সভায় খাদ্য দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ও অধিকর্তা সুমিত লোধ রাজ্যে বর্তমানে চালের মজুত, এলপিজি গ্যাসের মজুত ও সরবরাহ, সরকারি ন্যায্য মূল্যের দোকানগুলিতে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ, প্রতিটি ন্যায্য মূল্যের দোকানগুলিতে ও খাদ্য গুদামগুলিতে ভ্যারিফিকেশন সহ রেশনকার্ড সম্পর্কে নানা তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, খাদ্য দপ্তর এলপিজি, পেট্রোল সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের কালোবাজারি রুখতে কঠোর মনোভাব নিয়ে চলেছে। সভায় খাদ্য, জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ দপ্তরের সচিব কে. শশীকুমার নানা বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রীকে অবহিত করেন। এছাড়া সভায় খাদ্য জনসংভরণ ও ক্রেতাস্বার্থ দপ্তরের অতিরিক্ত অধিকর্তা সহ অন্যান্য আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন...