সাহায্য প্রত্যাশীদের সমস্যা সমাধানে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ : মুখ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদন
আগরতলা, আগষ্ট ২১, : মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচির ৫২তম পর্বে ২০ আগস্ট রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা। চিকিৎসা, জমি সংক্রান্ত সমস্যা ইত্যাদি নানাবিধ সমস্যা সমাধানের আশা নিয়ে মানুষ ২০ আগস্ট মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহার সাথে সাক্ষাৎ করেন। মুখ্যমন্ত্রী তাদের সমস্যার তাৎক্ষনিক সমাধান করার চেষ্টা করেন।
প্রতাপগড়ের শিখা দেবনাথ আসেন তাঁর মেয়ে তমন্না দেবনাথের শারীরিক সমস্যা নিয়ে। তাঁর মেয়ে চলাফেরা করতে অক্ষম। জন্ম থেকেই তার দুটি পায়ে সমস্যা, যা দিন দিন বেড়ে চলছে। মুখ্যমন্ত্রী তমন্না দেবনাথের সমস্যা সম্পর্কে অবগত হন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য উপস্থিত স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেন। তেলিয়ামুড়ার চাকমাঘাটের বাসিন্দা সুবল দাস আসেন তার শিশু পুত্রের চিকিৎসার সাহায্যার্থে। তার ৫ বছর বয়সী ছেলে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা ক্যান্সার হাসপাতালের এম. এস. কে নির্দেশ দেন সুবল দাসের ছেলের চিকিৎসায় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য। কুমারঘাটের বচন দেববর্মা, কৈলাশহরের কৃষ্ণ দেবনাথ, বাধারঘাটের নিরোদ বিহারী দাস এবং গন্ডাতুইসার লিটন সাহা আসেন কিডনী এবং প্যানক্রিয়াসের সমস্যা নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী তাদের সমস্যা এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হন এবং তাদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেন। এছাড়াও ধর্মনগর থেকে সঞ্জিত নাথ আসেন তার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য। যিনি কিছুদিন পূর্বে বৈদ্যুতিক শকের কারণে শারীরিকভাবে ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। রামনগরের মনসা হরিজন গৃহ পরিচারিকার কাজ করে সংসার প্রতিপালন করছেন। বেশ কয়েক মাস হয়েছে তাঁর স্বামী প্রয়াত হয়েছেন। তাই বর্তমানে তাঁর সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আসেন সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য। আগরতলা অফিসলেনের বাসিন্দা জ্যোতির্ময় পাল আসেন জমি সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী সবার সমস্যাগুলি মনোযোগ দিয়ে শুনেন এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে উপস্থিত আধিকারিকদের নির্দেশ দেন।
মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু কর্মসূচিতে আজ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তরের সচিব তাপস রায়, মুখ্যমন্ত্রীর সচিব, ড. পি. কে চক্রবর্তী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা ডাঃ তপন মজুমদার, জি. বি. হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ডাঃ শঙ্কর চক্রবর্তী, অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওন্যাল ক্যান্সার হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার ডাঃ শিরমনি দেববর্মা, আইজিএম হাসপাতালের সুপার ডাঃ দেবাশ্রী দেববর্মা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন...