বিস্মিত রাজধানীবাসী, আইন উপেক্ষা করে প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করার অধিকার পুলিশকে কে দিয়েছে ? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

নিজস্ব প্রতিবেদন

আগরতলা, মার্চ ২৬, : লকডাউনের নামে বুধবার পুলিশের একটি অংশ রাজধানী আগরতলায় যে ধরনের বাহাদূরী দেখিয়েছে তাতে অনেকই তাজ্জব বনে গেছেন।সভ্য ও গনতান্ত্রিক দেশে এমনি হতে পারে তা ছিল অকল্পনীয়। পুলিশের এই ধরনের বর্বরতা দেখে বিস্মিত রাজধানীবাসীরা।আইন আদালত উপেক্ষা করে প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করার অধিকার পুলিশকে কে বা কারা দিয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।খবর হলো মুখ্যমন্ত্রী নিজেই আছ রাজ্য পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন। সেইসাথে মুখ্যমন্ত্রী এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রাতে না হয় তার পরামর্শ দিয়েছেন।জানা গেছে রাজ্য পুলিশ প্রধান এ নিয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে সদর দপ্তরে বৈঠক করেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী রং নির্দেশ র কথা জানিয়ে দিয়েছেন।

বুধবার শহরের কয়েকটি অন্চলে হঠাৎ করেই পুলিশ চন্চল হয়ে উঠে।বাইক আরোহীদের আটকিয়ে বেধরক পেটাতে শুরু করে। কাউকে কিছু বলার সুযোগ দেয় নি লাঠিধারী পুলিশ,যারা একটি তদন্ত ও ভালভাবে করতে পারেনা।শহরে নিত্য দিন বহু ঘটনা ঘটেই চলেছে কিন্তু পুলিশ কিছুই করতে পারেনি বা পারছে না।আদৌ পারবে কিনা তা নিয়ে ও রয়েছে বহু সংশয়।

খবর হলো পুলিশ যাদের নির্দয়ভাবে পিটিয়েছে এরা অনেকেই অষুধ আনতে গিয়েছিল তাদের বয়স্ক মা, বাবার জন্য।আবার কেউ গিয়েছিল জরুরি পথ্য আনতে।বাজার করতে।রাত বাড়টা থেকে লকডাউনের খবর তো জানাই ছিল না। অনেকেই অপ্রস্তুত ছিলেন।আর সবার হাতে তো টাকা কড়ি সব সময় থাকেও না। উপার্জন করতে হয়। পুলিশ তো বা্র মাসে তের মাসের বেতন ভাতা পেয়ে থাকে,অন্য কিছু তো থাকেই।থানায় যাদের পোষ্টিং তাদের তো কথাই নেই। এদের অধিকাংশকে অনেক কিছু গাঁটের পয়সা দিয়ে আনতে হয়না।কারন এরা পেয়েই থাকে বলে থানার ভেতরের গুন্জন।

গতকালের এভাবে পেটানোর ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত ছিল।এটা যে ছিল পরিকল্পিত তার বড় প্রমান রয়েছে ভিডিও ফুটেজে।দেখা গেছে পুলিশের দল একদিকে পেটাচ্ছে আর অন্যদিকে ক্যামেরাম্যান রা সাড়িবদ্ধ ভাবে দাড়িয়ে ছবি তুলছে।সব স্হানিয় চ্যানেলেই তা দেখানো হয়েছে।আসলে আজকাল এটা প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে কোন অভিযানে যাওয়ার আগে পুলিশ যে কোন একজনকে মিসকল দিয়ে থাকে।ব্যস হয়ে গেল। এবার বাইক নিয়ে ছুটাছুটি,।এটা সব ক্ষেত্রেই। সচিবালয় থেকে থানা, বাজার সব ক্ষেত্রেই এটা হয়ে থাকে। এদের ধারন করা ভিডিও ক্লিপিংস ই পুলিশের নির্দয়তার চিত্র তুলে ধরেছে। বুধবার সকালে পুরানো মোটরষ্টান্ডে সাতসকালে চা দোকানীকে ও কজনকে মারধর করা হয়েছে।অথচ যারা করেছে তাদের কিছু করেনি পুলিশ।

বুধবারের লাঠিপেটা করার ঘটনা কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ভাবমূর্তি কলূষিত করেছে বলে অনেকেই মনে করছেন। এভাবে চলতে থাকলে লকডাউনের উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে যাবে।আখেড়ে ভুগতে হবে রাজ্যবাসীকে।


You can post your comments below  
নিচে আপনি আপনার মন্তব্য বাংলাতেও লিখতে পারেন।  
বিঃ দ্রঃ
আপনার মন্তব্য বা কমেন্ট ইংরেজি ও বাংলা উভয় ভাষাতেই লিখতে পারেন। বাংলায় কোন মন্তব্য লিখতে হলে কোন ইউনিকোড বাংলা ফন্টেই লিখতে হবে যেমন আমার বাংলা কিংবা অভ্রো কী-বোর্ড (Avro Keyboard)। আমার বাংলা কিংবা অভ্রো কী-বোর্ডের সাহায্যে মাক্রোসফট্ ওয়ার্ডে (Microsoft Word) টাইপ করে সেখান থেকে কপি করে কমেন্ট বা মন্তব্য বক্সে পেস্ট করতে পারেন। আপনার কম্পিউটারে আমার বাংলা কিংবা অভ্রো কী-বোর্ড বাংলা সফ্টওয়ার না থাকলে নিম্নে দেয়া লিঙ্কে (Link) ক্লিক করে ফ্রিতে ডাওনলোড করে নিতে পারেন।
 
Free Download Avro Keyboard  
Name *  
Email *  
Address  
Comments *  
 
 
Posted comments
Till now no approved comments is available.