বন্ধুত্বের শক্তি
সৌম্যজয় বিশ্বাস
September 13, 2026
দুই বন্ধু রাহুল ও বিদ্যাধর অনেক কষ্ট করে দিন কাটাত। তারা রাস্তায় প্লাস্টিক বটল টুকিয়ে টুকিয়ে সেগুলিকে বিক্রি করত। রাহুল এর খুব ইচ্ছা ছিল একজন বড় মানুষ হওয়ার কিন্তু সে মনে করত তার সেই স্বপ্ন আর সত্যি হবে না ।কিন্তু সে একদিন বিদ্যাধর কে বলে ভাই আমরা কবে বড় মানুষ হব । বিদ্যাধর বলে জানি না রে ভাই । বহুদিন ধরে একজন বিজনেসম্যান বড় লোক মানুষ তাদের লক্ষ্য করলো । কিছুদিন পর সেই বিস্নেসমান একটা বড় কালো রঙের গাড়ি থেকে নামল । সেই লোকটা তাদের বলল ভাই তোমরা , এই কাজ করে কিভাবে বেশি টাকা ইনকাম করবে । আমার কথা শোনো তোমরা একটা চার দোকান দাও । দুই বন্ধু এই কথা শুনে পরের দিন একটা টেবিল আর তাদের কিছু টাকা জোগাড় করে চায়ের দোকান শুরু করলো । বহু গ্রাহক এলো তাদের চা খেতে । প্রথম দিন তাদের অনেক টাকার চা বিক্রি হলো। এমন করতে করতে না অনেকদিন হয়ে গেলো তাদের গ্রাহক আরও বাড়ছে। এরপর দুই বন্ধু ভাবলো চায়ের দোকান টা বড় করে দিলে কেমন হয়।তারা এরপর একটা দোকান ভাড়া নিল , দোকানেটাকে ভালো ভাবে সাজালাও , বসার জায়গা করলো । যেইদিন এই দোকান শুরু করেছে সেইদিন অনেক বিক্রি হলো তাদের বসার সময় টুকু নেই , এত বিক্রি হচ্ছিলো। কিছুদিন পর সেই বিজনেসম্যান তাদের কাছে এলো চা খেতে এলো , বলল তোমাদের ব্যবসা কেমন চলছে , তারা বলল স্যার আপনি যদি ওইদিন আমাদের এই বুদ্ধিটা না দিতেন আমি এই জায়গাতে কখনই আসতে পারতাম না । তখন বিজনেসম্যান বলল তোমরা চায়ের সঙ্গে আরও জিনিস বিক্রি করতে পারো যেমন চিপস ,চকলেট , চানাচুর , ইত্যাদি। এক বছর হয়ে গেলো তাদের ব্যবসা খুব চলছে । তখন রাহুল একদিন বিদ্যাধরকে বলল ভাই এখন তো আমাদের অনেক টাকা জোমেছে , তাহলে একটা বাড়ি করার জন্য জমি কিনলে কেমন হয় । তখন তারা পরেরদিন সন্ধ্যা বেলা দোকান বন্ধ করে এক গ্রামে যায় জমি দেখার জন্য। তারা এক জমিনদারের কাছে যায় জমি দেখতে । তারা বলে ভাই তোমার নাম কি তখন জমিন্দার বলে আমার নাম মুবারক। আছা মুবারক ভাই আমরা যদি তোমার ১.৫ গণ্ডা জমিন নাই তাহলে কত টাকা লাগবে তাহলে তখন মুবারক বলে ভাই ৫ লাখ লাগবে , তারা বলে কিছু কম হবে না ।মুবারক বলে আচ্ছা তোমাদের জন্য ৪.৫ লাখ রেখে দেবো। তারা বলে ডিল ফাইনাল, রাহুল বাড়িতে গিয়ে টাকা নিয়ে আসে । তারপর তারা জমিন কিনে নিল। পরের দিন রাহুল বিদ্যাধর কে বলল ভাই জমিন তো কিনে নিয়েছি কিন্তু বাড়ি তো বানাতে হবে । এই চায়ের দোকান দিয়ে তো আর বাড়ি হবে না তাহলে । বিদ্যাধর বলে ভাই আমরা যদি একটা গ্রসেরি দোকান কিনি তাহলে কেমন হয় । তারপর তারা সেই চায়ের দোকান কে গ্রসেরী দোকান নে পরিবর্তিত করলো । তার এই দোকানে আলু ,পেঁয়াজ ,চাল ,দল , ইত্যাদি মুদি দোকানের সামগ্রী জিনিস তোলে । দোকানের যেদিন খললো সেইদিন অনেক বিক্রি হলো । অনেক টাকা ইনকাম হলো। দুই বছর হয়ে গেলো তাদের এই দোকান যেন তাদের গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ দোকান হয়ে গেল । তারা বাড়ি বানানোর কাজ শুরু করে দেয় । তাদের বাড়ি ফাইনালি এক বছর পর তৈরি হলো । রাহুল বিদ্যাধর কে বলল ভাই সেই স্বপ্ন যে পূর্ণ হলো !! ভাই আমি আজ অনেক খুশি। এইভাবে তারা সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করতে লাগলো। (অষ্টম শ্রেণি, ভবনস্ ত্রিপুরা বিদ্যামন্দির)
(The editor of tripurainfo.com warmly invites students and aspiring writers to share their thoughts, ideas, and creativity through articles. Understanding that every great writer starts somewhere, tripurainfo.com is committed to providing a platform where young minds can express themselves without fear of judgment.
This initiative is not about perfection but about encouragement, growth, and giving voice to new perspectives. We believe that by supporting young talents today, we are shaping the storytellers, journalists, and thought leaders of tomorrow.
So, if you have a story to tell or an idea to share, don’t hesitate—send in your articles. Let your words inspire others, and let tripurainfo.com be the stage where your voice is heard!)
আরও পড়ুন...