ঠিকাদারী, কনসালটেন্সি থেকে সরকারি চাকরি, সর্বত্রই বহি রাজ্যের থাবা! ত্রিপুরার মানুষ কবে নিজের পায়ে দাঁড়াবে?

জয়ন্ত দেবনাথ

August 14, 2026

স্বাধীনতার প্রায় আট দশক পেরিয়ে গেলেও ত্রিপুরার সামনে একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন আজও রয়ে গেছে, আর সেটা হল-

রাজ্যের নিজস্ব দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং মানব সম্পদ থাকা সত্ত্বেও কেন এতদিন ধরে সরকারি প্রকল্পের বড় অংশের ঠিকাদারী, কনসালটেন্সি ও পেশাদারি কাজ রাজ্যের বাইরের সংস্থার হাতে চলে গেছে এবং এখনও যাচ্ছে?

বছরের পর বছর এই প্রশ্ন তুলেছেন হাতে গোনা কয়েকজন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ, বিশেষত ত্রিপুরার মন্ত্রী, এমএলএ, আমলারা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখেননি। বরং তাদের কেউ কেউ প্রশ্ন তোলা মানুষ গুলিকেই ‘পাগল’ বা ‘অবাস্তববাদী’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ও দিচ্ছেন। অথচ যারা এই প্রশ্ন তুলছেন বা তুলেছিলেন, তাদের অনেকেই নিজেদের পেশায় প্রতিষ্ঠিত ছিলেন ও আছেন। ত্রিপুরায় ঠিকাদারী, কনসালটেন্সির কাজ না পেলেও তাদের জীবন থেমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি ছিল না, আজও নেই। তাদেরই একজন হিসাবে আজ বহুদিন ধরে আমারও বক্তব্য ছিল, কেন ত্রিপুরার ছেলে মেয়েরা নিজের পায়ে দাঁড়াবে না? নিজের মাটিতে নিজস্ব স্টার্টআপ, ঠিকাদারী, কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ কারিগরী সংস্থা এবং পেশাদারি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে পারল না এবং এখনও সেই ভাবে পারছেনা? বরং আজকাল সেই প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কারণ, এতদিন যেখানে অভিযোগ ছিল প্রকল্পের ঠিকাদারী, কনসালটেন্সি ও কারিগরী বিশেষজ্ঞ পরিষেবা রাজ্যের বাইরে চলে যাওয়া নিয়ে, এখন বিতর্ক পৌঁছে গেছে সরাসরি স্থানীয় কর্মসংস্থানের দরজায়।

‘প্রজেক্ট’ আর ‘এক্সপার্ট’-এর নামে বাইরের নির্ভরতা

ত্রিপুরায় বহু বছর ধরে এমন একটি ধারণা তৈরি হয়েছে যে বড় প্রকল্প মানেই বাইরে থেকে ঠিকাদার, কনসালট্যান্ট, বাইরে থেকে বিশেষজ্ঞ এবং বাইরে থেকে সংস্থা আনতে হবে।

কিন্তু প্রশ্ন হল, প্রায় ৮০ বছর ধরে স্বাধীন ভারতের অংশ হওয়ার পরেও কি ত্রিপুরায় পর্যাপ্ত দক্ষ প্রকৌশলী, পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, অর্থনীতিবিদ, ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য পেশাদার নেই বা তৈরি হয়নি?

যদি হয়ে থাকে, তাহলে তাদের কেন স্মার্ট সিটি বা অন্যান্য প্রকল্পের কাজ সরাসরি দেয়া হচ্ছেনা? আর যদি স্থানীয়দের দক্ষতা কিংবা মেধা না থাকে তাহলে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কেন বৃহত্তর কর্ম পরিকল্পনা গৃহীত হল না? এনিয়ে এখনো কেন শক্তিশালী স্থানীয় ঠিকাদার গোষ্ঠী, কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে স্হানীযদের সুযোগ করে দেয়া হচ্ছেনা? আমি এই বিষয়ে শুধুমাত্র এখনকার বিজেপির সরকারের কথা বলছিনা। পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকারের আমলেও দেখেছি ছোট্ট ছোট্ট কাজের জন্য পর্যন্ত বহিরাগত ঠিকাদার এক্সপার্টদের উপর নির্ভরশীল ছিল সরকার। এখন অবশ্য মুখে 'ভোকাল ফর লোকাল' শ্লোগান দেয়া হচ্ছে। কিন্ত বাস্তবে ছোট বড় অধিকাংশ ঠিকাদারী কাজ যাচ্ছে বহিরাগত কোম্পানির কাছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বহিরাগত এজেন্সী নিজেরা কাজ করেন না, মোটা অংকের টাকা কমিশন নিয়ে স্থানীয়দের দিয়ে কম টাকাতে কাজটি করিয়ে নেয়া হয়।

সমস্যাটি শুধু কাজ বাইরে চলে যাওয়া নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি অর্থনৈতিক চক্র। স্থানীয় সংস্থা বড় কাজ পায় না, স্থানীয় পেশাদাররা প্রতিষ্ঠান গড়তে পারেন না, তারা বাইরে চলে যান, বাইরে থাকা সংস্থা গুলি ত্রিপুরায় কাজ পায়, রাজ্যের ভিতরে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান তৈরি হয় না।

এই চক্র ভাঙার কোনও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ কি নেওয়া হয়েছে?

এবারতো ত্রিপুরার সরকারি চাকরিও সেই পথে যেতে বসেছে।

পি আর টি সি বা ত্রিপুরার বাসিন্দা (Permanent Resident of Tripura Certificate)-এর বাধ্যতামূলক শর্ত প্রত্যাহার বা শিথিল করার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে এই কারণেই এত প্রশ্ন উঠছে।

ত্রিপুরার সরকারি চাকরির বাজার এমনিতেই অত্যন্ত সীমিত। অন্যদিকে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বিপুল। ফলে গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি-র মতো পদে রাজ্যের বাইরে থেকেও যদি বিপুল সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করার সুযোগ পান, তাহলে স্থানীয় চাকরি প্রার্থীদের প্রতিযোগিতা বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে।

এখানে প্রশ্নটি কোনও ভাবেই ‘বাইরের রাজ্যের মানুষকে ত্রিপুরায় আসতে দেওয়া হবে কি না’, এমন নয়।

প্রশ্ন হল, সীমিত সংখ্যক সরকারি চাকরিতে ত্রিপুরায় বেড়ে ওঠা, ত্রিপুরায় পড়াশোনা করা এবং দীর্ঘদিন ধরে এই রাজ্যে বসবাসকারী যুবকদের জন্য কী ধরনের ন্যায্য অগ্রাধিকার থাকবে?

দেশের বিভিন্ন রাজ্য নিজেদের স্বার্থে বিভিন্ন ধরনের স্থানীয় যোগ্যতা, বাসিন্দা শংসাপত্র, ভাষাগত দক্ষতা বা অন্যান্য কঠিন শর্ত ব্যবহার করে থাকে।

অরুণাচল প্রদেশ সম্প্রতি রাজ্য সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে স্হাযী বাসিন্দার (Permanent Residence Certificate) এবং স্বীকৃত উপজাতীয় ভাষায় দক্ষতার শর্ত আরও শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে সেখানে স্থানীয় প্রার্থীদের পক্ষে ৮০:২০ নিয়োগ কাঠামোর কথাও সামনে এসেছে।

মিজোরামে বিভিন্ন সরাসরি নিয়োগ পরীক্ষায় মিজো ভাষার দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ। হিমাচল প্রদেশে সরকারি নিয়োগে বোনাফাযেড হিমাচলী (Bonafide Himachali) শংসাপত্রের ব্যবস্থাও দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে।

অর্থাৎ প্রতিটি রাজ্যের নিয়ম এক নয়, কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট, আর সেটি হল- রাজ্য গুলি তাদের নিজস্ব মানব সম্পদ এবং কর্মসংস্থানের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে নিয়োগ নীতি তৈরি করছে।

তাহলে ত্রিপুরা কেন উল্টো পথে হাঁটবে?

২০১৮ থেকে ২০২৩, পি আর টি সি

নিয়ে নীতির পালাবদল

এই বিতর্ক নতুন নয়।

২০১৮ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের সরকারের সময় সরকারি চাকরিতে পি আর টি সি-এর বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছিল। এর ফলে জয়েন্ট রিক্রুটমেন্ট বোর্ড টেষ্ট (Joint Recruitment Board Test)-এর গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি পদে রাজ্যের বাইরের প্রার্থীদেরও অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়।

প্রায় ৫,০০০ পদের জন্য প্রায় ১.৫৭ লক্ষ প্রার্থী পরীক্ষায় বসেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, দিল্লি, হরিয়ানা-সহ বিভিন্ন রাজ্যের প্রার্থীরাও আবেদন করেছিলেন।

পরবর্তীতে এই নীতি নিয়ে ত্রিপুরায় ব্যাপক রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক তৈরি হয়।

২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রায় ৪,৯১০টি গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি পদের ফল প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে গ্রুপ সি-তে ২,৪১০টি এবং গ্রুপ ডি-তে ২,৫০০টি পদ ছিল। সেই সময় সরকার জানিয়েছিল, চূড়ান্ত নির্বাচনে পি আর টি সি থাকা প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এরপর ২০২৩ সালে মুখ্যমন্ত্রী ডা মানিক সাহা-র নেতৃত্বাধীন সরকার ফের সরকারি চাকরিতে পি আর টি সি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয়। রাজ্য সরকারি দফতর, সরকার অধীগৃহীত সংস্থা এবং সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে পি আর টি সি -এর বাধ্যবাধকতা ফিরিয়ে আনা হয়।

সরকার তখন স্পষ্ট ভাবে বলেছিল, এর অন্যতম উদ্দেশ্য হল ত্রিপুরার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা।

অর্থাৎ পি আর টি সি শিথিল করা হয়েছিল, পরে পুনরায় বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। আর এখন আবার যদি তা শিথিল করা হয়, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই, ত্রিপুরা কি আবার একই পথে ফিরছে?

বাইরে থেকে ‘প্রার্থী’ আসবে, কিন্তু থাকবে কতটা?

নতুন নিয়ম নিয়ে আরও একটি বাস্তব প্রশ্ন উঠছে।

যদি বাইরের রাজ্যের কোনও প্রার্থী ত্রিপুরায় এসে নির্দিষ্ট সময় বসবাস করে স্থানীয় চাকরির যোগ্যতা অর্জন করেন, তাহলে সেটি কাগজে-কলমে একটি নিয়ম হতে পারে। কিন্তু সেই প্রার্থী কি বাস্তবে ত্রিপুরার সমাজ ও অর্থনীতির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ভাবে যুক্ত হবেন?

নাকি চাকরি পাওয়ার পরও তাঁর পরিবারের মূল ঠিকানা, সামাজিক সম্পর্ক এবং জীবনের বড় অংশ অন্য রাজ্যেই থাকবে?

এখানেই স্থানীয় চাকরিপ্রার্থীদের আশঙ্কা।

কেউ কেউ এমনও আশঙ্কা করছেন যে, রাজ্যের বাইরে থাকা বিভিন্ন ‘সিন্ডিকেট’ বা চাকরির বাজারের মধ্যস্থতাকারীরা প্রার্থীদের ত্রিপুরায় এনে নির্দিষ্ট ভূযা ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে পাচ বছর সময়ের জন্য বসবাসের ও স্কুল কলেজে পড়াশুনার কাগজ সংগ্রহ করে স্থানীয় চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

এই আশঙ্কা বাস্তব কিনা, তার প্রমাণ অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু নীতি নির্ধারকদের উচিত এমন সম্ভাবনাকে অগ্রাহ্য না করে নিয়মের মধ্যে পর্যাপ্ত সুরক্ষা রাখা।

বিশেষজ্ঞ আর সাধারণ চাকরি, এক জিনিস নয়।একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য অবশ্যই করতে হবে।

কোনও বিশেষ প্রকল্পের জন্য যদি ত্রিপুরায় পর্যাপ্ত দক্ষ বিশেষজ্ঞ না পাওয়া যায়, তাহলে বাইরে থেকে বিশেষজ্ঞ আনার প্রয়োজন হতে পারে। চিকিৎসা, উচ্চ প্রযুক্তি, বিশেষ প্রকৌশল, গবেষণা বা অত্যন্ত নির্দিষ্ট পেশাগত দক্ষতার ক্ষেত্রে জাতীয় স্তরে নিয়োগের প্রয়োজন অস্বীকার করা যায় না।

কিন্তু সেই যুক্তি কি সাধারণ গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি সরকারি চাকরির ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য?

এখানেই মূল প্রশ্ন।

বিশেষজ্ঞ আমদানি করা আর স্থানীয় কর্মসংস্থানের দরজা খুলে দেওয়া, দুটি সম্পূর্ণ আলাদা নীতিগত বিষয়।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, এত বছর ধরে ত্রিপুরা কেন নিজস্ব শক্তিশালী ঠিকাদার গোষ্ঠী, কনসালটেন্সি কোম্পানি তৈরি করতে পারল না?

কেন ত্রিপুরার দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট, প্ল্যানার, অর্থনীতিবিদ, ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য পেশাদারদের নিয়ে বড় স্থানীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি হল না?

সরকার চাইলে কি স্থানীয় কনসালটেন্সি সংস্থা গুলিকে উৎসাহিত করতে পারে না?

স্বচ্ছ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্থানীয় সংস্থার জন্য সুযোগ তৈরি করা যায় না?

স্থানীয় পেশাদারদের নিয়ে কনসোর্টিযাম তৈরি করা যায় না?

স্টার্টআপ-এর মাধ্যমে ত্রিপুরার নিজস্ব কনসালটিং ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা যায় না?

যদি সরকার এসব করতে পারে, তাহলে আগামী দিনে ত্রিপুরার প্রকল্পের টাকা শুধু ত্রিপুরার বাইরে থাকা সংস্থার কাছে যাবে না, তার একটি বড় অংশ রাজ্যের অর্থনীতির ভিতরেই ঘুরবে। তাই প্রশ্ন আজ কোনও যুবক একটি চাকরি না পেলেও হয়তো আগামীকাল অন্য সুযোগ পাবে।

কিন্তু হাজার হাজার স্থানীয় যুবক যদি বারবার বিশাল জাতীয় আবেদনকারীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে বাধ্য হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে তার প্রভাব মারাত্মক হতে পারে।

যোগ্য যুবকরা ত্রিপুরা ছাড়বেন।

যারা যেতে পারবেন না, তারা বেকার বা অর্ধবেকার হয়ে থাকবেন।

আর রাজ্য হারাবে তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, মানবসম্পদ।

তখন পরিস্থিতি দাঁড়াবে, স্থানীয় দক্ষ মানুষ বাইরে চলে যাবে, বাইরে থাকা সংস্থা ত্রিপুরায় কাজ করবে, স্থানীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল থাকবে, স্থানীয় কর্মসংস্থান কমবে, যুবকরা বাইরে যাবে, ত্রিপুরার বাইরের নির্ভরতা আরও বাড়বে।

এই চক্র যদি সরকারি চাকরির ক্ষেত্রেও তৈরি হয়, তাহলে আগামী প্রজন্ম তার মূল্য দেবে।

এখানে আরও একটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই বিতর্ককে কোনও ভাবেই বহিরাগত, বাঙালি বনাম উপজাতি, কিংবা কোনও সম্প্রদায় বনাম অন্য সম্প্রদায়ের সংঘাতে পরিণত করা উচিত নয়।

ত্রিপুরার বেকারত্বের সমস্যা কোনও একটি সম্প্রদায়ের সমস্যা নয়। কর্মসংস্থানের সুযোগ কমলে তার প্রভাব রাজ্যের বিভিন্ন অংশের যুবকদের উপর পড়বে। প্রভাব বৃদ্ধি পাবে অনৈতিক কাজে যেভাবে এখন হতাশাগ্রস্হ যুবকরা ড্রাগসের দিকে ঝুঁকে পড়ে আত্মঘাতী হচ্ছে। অবৈধ রোজগারের ধান্ধায অনৈতিক কাজে যুক্ত হয়ে পড়ছে তরুণ প্রজন্ম। এই বিষয়টি নিয়ে তথ্যভিত্তিক সমীক্ষা দরকার।

( লেখক একজন সিনিয়র সাংবাদিক ও ত্রিপুরাইনফো-র সম্পাদক)

আরও পড়ুন...


Post Your Comments Below

নিচে আপনি আপনার মন্তব্য বাংলাতেও লিখতে পারেন।

বিঃ দ্রঃ
আপনার মন্তব্য বা কমেন্ট ইংরেজি ও বাংলা উভয় ভাষাতেই লিখতে পারেন। বাংলায় কোন মন্তব্য লিখতে হলে কোন ইউনিকোড বাংলা ফন্টেই লিখতে হবে যেমন আমার বাংলা কিংবা অভ্রো কী-বোর্ড (Avro Keyboard)। আমার বাংলা কিংবা অভ্রো কী-বোর্ডের সাহায্যে মাক্রোসফট্ ওয়ার্ডে (Microsoft Word) টাইপ করে সেখান থেকে কপি করে কমেন্ট বা মন্তব্য বক্সে পেস্ট করতে পারেন। আপনার কম্পিউটারে আমার বাংলা কিংবা অভ্রো কী-বোর্ড বাংলা সফ্টওয়ার না থাকলে নিম্নে দেয়া লিঙ্কে (Link) ক্লিক করে ফ্রিতে ডাওনলোড করে নিতে পারেন।

Free Download Avro Keyboard

Fields with * are mandatory





Posted comments

Till now no approved comments is available.