অভ্যাস
সোমেস্বর দেব
January 22, 2026
কলকাতায় এক বালকের জন্ম হয় ২০১০ সালে। তাকে সবাই সমর বলে ডাকত৷
তার বাড়ি থেকে কিছুটা দূরের একটা স্কুলে সে পড়ত। তার বাড়ি কলকাতার এক গ্রামীণ এলাকায় ছিল, যেখানে পড়াশোনা ততটা ভাল ছিল না। সমর তখন ছোট, খেলাধুলা খুব পছন্দের। বয়স যত বাড়ছিল মায়ের চিন্তা ততটাই বাড়ছিল। মার ধারণা ছিল যে গ্রাম এ তার পড়া হবে না। তাই তাকে ২০১৬ তে কলকাতা শহরে নিয়ে আসে। তখন বেশ মনমরা পরিবার থেকে দূরে, বন্ধুদের থেকে দূরে। সে তার মা-বাবার সাথে থাকতো শহুরে এলাকায়; নতুন বলে সে অন্যমনস্ক হয়ে থাকতো, মানুষের সঙ্গে কথা বলতো না, এমন কি সে স্কুল এ-ও যেতে চাইতো না। তার মা তখন ভাবতো যে শহরে এনে কোনো ভুল করলাম না তো? কিছু দিন পরে সে স্কুল যেতে শুরু করলো, পড়াশোনায় সে খুব ভাল ছিল; কিন্তু একটা সময় পরে পৃথিবীতে এক মহামারী ছড়িয়ে পরে 'করোনা ভাইরাস' নামে সেই মহামারীর জন্য স্কুল-কলেজ সব বন্ধ করে দেওয়া হল। সবাই ফোনে অনলাইন ক্লাস করতে শুরু করলো। এই মহামারী তে হাজার হাজার মানুষ মারা যায়। ছোট থেকে ছোটদেরও ফোন কিনে দেওয়া হল ক্লাস করার জন্য। তাকে দেওয়া ফোনে সে সে ক্লাস করতে শুরু করলো। কিন্তু তার ধীরে ধীরে গেইম খেলার অভ্যাস হয়ে উঠলো। এমন অনেক ছেলে-মেয়ে গেইম এর শিকার হয়ে পরে। বছর খানেক পর স্কুল খুলে কিন্তু সমর গেইম ছেড়ে যেতে চায় না। তার মা তার ফোন লুকিয়ে রাখলে সে উশৃঙ্খলতা সৃষ্টি করে অনেক ডাক্তার দেখানো হল কিন্তু কোনো কাজ হয়নি, গেইম খেলতে খেলতে তার চোখ- মুখ কমজোর হতে শুরু করে। অবশেষে বাড়িতে বেঁধে রাখা হয়, সে তারপর এই অভিভাবকের শাষণ সহ্য না করতে পেরে, ২০২৩ সালে সে আত্মহত্যা করে। সমর পরিবারের হাসি কেড়ে নিয়ে চলে গেছে সূদুর অচেনায়। নবম শ্রেণি, ভবনস্ ত্রিপুরা বিদ্যামন্দির
(The editor of tripurainfo.com warmly invites students and aspiring writers to share their thoughts, ideas, and creativity through articles. Understanding that every great writer starts somewhere, tripurainfo.com is committed to providing a platform where young minds can express themselves without fear of judgment.
This initiative is not about perfection but about encouragement, growth, and giving voice to new perspectives. We believe that by supporting young talents today, we are shaping the storytellers, journalists, and thought leaders of tomorrow.
So, if you have a story to tell or an idea to share, don’t hesitate—send in your articles. Let your words inspire others, and let tripurainfo.com be the stage where your voice is heard!)
আরও পড়ুন...